ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা সিলেবাস ২০২৫ Pdf | Class 8 Bitti Exam 2025 Syllabus 1 kg আপেলের দাম বাংলাদেশে কত সীমান্ত ব্যাংকে আইটি ক্যারিয়ার: কোর ব্যাংকিং সিস্টেমে ম্যানেজার পদে নিয়োগ (SO-PO) ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু, ফি ২০০ টাকা (নিয়মাবলি) রিয়েলমি সি৮৫: ৭০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও পাওয়ার ব্যাংক সুবিধা Bdjobs.com-এ “Junior Product Analyst” পদে নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা BRAC Bank-এ “Manager, Digital Business and Payments” পদে নিয়োগ (SPO/AVP গ্রেড) এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬: অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে ২৫-এর সিলেবাসে, বোর্ডের নির্দেশনা Aarong-এ “Officer, Corporate Sales” পদে নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা Trust Bank Ltd-এ “Officer (MIS)” পদে নিয়োগ, Retail Finance Centre এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬: কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা, আসন সংখ্যায় বড় পরিবর্তন

HSC Scholarship Result

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫ প্রকাশ: ঢাকা বোর্ডের তালিকা ও টাকা তোলার নিয়ম

অনাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫ অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধা ও সাধারণ বৃত্তির গেজেট প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের যোগ্য শিক্ষার্থীরা সরকারি নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী এই বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫

গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং ৩৭.০২.০০০০.১১৭.৩১.০০১.২১-৩৭৭/১০-এর সূত্র ধরে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বৃত্তির শর্তাবলি, মেয়াদ এবং টাকা উত্তোলনের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা সেই নির্দেশনার আলোকে বৃত্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো তুলে ধরছি।

বৃত্তির ধরন ও মেয়াদকাল

প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, বৃত্তিটি ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চশিক্ষার কোর্সের মেয়াদকালীন সময় পর্যন্ত (৩ থেকে ৫ বছর) এই বৃত্তির সুবিধা পাবেন। বৃত্তি প্রধানত দুই ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছে: ১. মেধা বৃত্তি (Talent Pool) ২. সাধারণ বৃত্তি (General)

শিক্ষার্থী যে বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক বা কমার্স) থেকে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই বিভাগের জিপিএ এবং প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃত্তির শর্তাবলি ও যোগ্যতা

বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বৃত্তি পাওয়ার জন্য এবং তা বহাল রাখার জন্য কিছু কঠোর শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বিদেশি কোনো শিক্ষার্থী এই তালিকাভুক্ত হলেও তিনি বৃত্তির সুবিধা পাবেন না।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীর আচরণ ও উপস্থিতি সন্তোষজনক হতে হবে। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে বা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশে বৃত্তি বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া পাঠোন্নতি বা রেজাল্ট সন্তোষজনক হওয়াও বাধ্যতামূলক।

তৃতীয়ত, সরকার প্রয়োজনবোধে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বৃত্তির সংখ্যা, হার বা মেয়াদ পরিবর্তন কিংবা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

টাকা তোলার নিয়ম ও প্রক্রিয়া

শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো বৃত্তির টাকা কীভাবে হাতে পাওয়া যাবে। গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃত্তির তালিকায় শিক্ষার্থী যে কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছে, সেই প্রতিষ্ঠানের নাম থাকবে। কিন্তু টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বর্তমানে ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

শিক্ষার্থীকে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠান অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিল দাখিল করে বৃত্তির টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করবে। টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (EFT-এর মাধ্যমে) জমা হবে। তাই দ্রুত একটি অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা জরুরি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সতর্কতা

বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিষয় খুব গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বৃত্তি শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত বা মঞ্জুরিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, শিক্ষার্থী যদি এমন কোনো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বা কলেজে ভর্তি হন যার সরকারি অনুমোদন নেই, তবে তিনি এই বৃত্তি পাবেন না।

সরকারি আইন অনুযায়ী, অননুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাওয়ার যোগ্য নন। এমনকি ওই সময়কালকে ‘পাঠবিরতি’ বা ব্রেক অব স্টাডি (Break of Study) হিসেবে গণ্য করা হবে। তাই ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যে প্রতিষ্ঠানটি সরকার অনুমোদিত কি না।

ফলাফল দেখার উপায়

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ আকারে বৃত্তির তালিকাটি ডাউনলোড করা যাবে। পিডিএফ ফাইলে হাজার হাজার নাম থাকে, তাই নিজের নাম বা রোল নম্বর খুঁজে পেতে কম্পিউটারে Ctrl + F চেপে সার্চ করা সহজ।

সরাসরি ফলাফল দেখতে এবং বিস্তারিত নোটিশটি পড়তে ভিজিট করতে পারেন: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ওয়েবসাইট

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. এইচএসসি বৃত্তিতে মাসে কত টাকা দেওয়া হয়? সাধারণত মেধা বৃত্তিতে মাসে ৮২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ১,৮০০ টাকা দেওয়া হয়। সাধারণ বৃত্তিতে মাসে ৩৭৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা দেওয়া হয় (সরকারি গেজেট অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে)।

২. আমি মেডিকেল বা বুয়েটে ভর্তি হলে কি এই বৃত্তি পাব? হ্যাঁ, আপনি সরকারি বা সরকার অনুমোদিত যেকোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হলেই এই বৃত্তি বহাল থাকবে। কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী (৪ বা ৫ বছর) আপনি টাকা পাবেন।

৩. বৃত্তির টাকার জন্য কি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে? আপনার যদি আগে থেকেই নিজের নামে কোনো অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট) থাকে, তবে সেটি ব্যবহার করা যাবে। না থাকলে নতুন করে খুলতে হবে। মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।

৪. আমি যদি গ্যাপ দিয়ে পরের বছর ভর্তি হই, তবে কি বৃত্তি পাব? না। গেজেট অনুযায়ী শিক্ষাজীবনে বিরতি থাকলে বা ‘ব্রেক অব স্টাডি’ হলে বৃত্তি বাতিল হয়ে যায়। আপনাকে এইচএসসি পাসের পরপরই নিয়মিত সেশনে ভর্তি হতে হবে।

৫. অন্য কোনো স্কলারশিপ পেলে কি এই বোর্ড বৃত্তি পাওয়া যাবে? সাধারণত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী একই সাথে দুটি সরকারি বৃত্তি ভোগ করতে পারেন না। তবে প্রাইভেট স্কলারশিপের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

আরও পড়ুন:

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

HSC Scholarship Result

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫ প্রকাশ: ঢাকা বোর্ডের তালিকা ও টাকা তোলার নিয়ম

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫ অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধা ও সাধারণ বৃত্তির গেজেট প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের যোগ্য শিক্ষার্থীরা সরকারি নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী এই বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এইচএসসি বৃত্তি ফলাফল ২০২৫

গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং ৩৭.০২.০০০০.১১৭.৩১.০০১.২১-৩৭৭/১০-এর সূত্র ধরে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বৃত্তির শর্তাবলি, মেয়াদ এবং টাকা উত্তোলনের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা সেই নির্দেশনার আলোকে বৃত্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো তুলে ধরছি।

বৃত্তির ধরন ও মেয়াদকাল

প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, বৃত্তিটি ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চশিক্ষার কোর্সের মেয়াদকালীন সময় পর্যন্ত (৩ থেকে ৫ বছর) এই বৃত্তির সুবিধা পাবেন। বৃত্তি প্রধানত দুই ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছে: ১. মেধা বৃত্তি (Talent Pool) ২. সাধারণ বৃত্তি (General)

শিক্ষার্থী যে বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক বা কমার্স) থেকে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই বিভাগের জিপিএ এবং প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃত্তির শর্তাবলি ও যোগ্যতা

বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বৃত্তি পাওয়ার জন্য এবং তা বহাল রাখার জন্য কিছু কঠোর শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বিদেশি কোনো শিক্ষার্থী এই তালিকাভুক্ত হলেও তিনি বৃত্তির সুবিধা পাবেন না।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীর আচরণ ও উপস্থিতি সন্তোষজনক হতে হবে। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে বা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশে বৃত্তি বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া পাঠোন্নতি বা রেজাল্ট সন্তোষজনক হওয়াও বাধ্যতামূলক।

তৃতীয়ত, সরকার প্রয়োজনবোধে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বৃত্তির সংখ্যা, হার বা মেয়াদ পরিবর্তন কিংবা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

টাকা তোলার নিয়ম ও প্রক্রিয়া

শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো বৃত্তির টাকা কীভাবে হাতে পাওয়া যাবে। গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃত্তির তালিকায় শিক্ষার্থী যে কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছে, সেই প্রতিষ্ঠানের নাম থাকবে। কিন্তু টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বর্তমানে ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

শিক্ষার্থীকে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠান অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিল দাখিল করে বৃত্তির টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করবে। টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (EFT-এর মাধ্যমে) জমা হবে। তাই দ্রুত একটি অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা জরুরি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সতর্কতা

বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিষয় খুব গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বৃত্তি শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত বা মঞ্জুরিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, শিক্ষার্থী যদি এমন কোনো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বা কলেজে ভর্তি হন যার সরকারি অনুমোদন নেই, তবে তিনি এই বৃত্তি পাবেন না।

সরকারি আইন অনুযায়ী, অননুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাওয়ার যোগ্য নন। এমনকি ওই সময়কালকে ‘পাঠবিরতি’ বা ব্রেক অব স্টাডি (Break of Study) হিসেবে গণ্য করা হবে। তাই ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যে প্রতিষ্ঠানটি সরকার অনুমোদিত কি না।

ফলাফল দেখার উপায়

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ আকারে বৃত্তির তালিকাটি ডাউনলোড করা যাবে। পিডিএফ ফাইলে হাজার হাজার নাম থাকে, তাই নিজের নাম বা রোল নম্বর খুঁজে পেতে কম্পিউটারে Ctrl + F চেপে সার্চ করা সহজ।

সরাসরি ফলাফল দেখতে এবং বিস্তারিত নোটিশটি পড়তে ভিজিট করতে পারেন: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ওয়েবসাইট

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. এইচএসসি বৃত্তিতে মাসে কত টাকা দেওয়া হয়? সাধারণত মেধা বৃত্তিতে মাসে ৮২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ১,৮০০ টাকা দেওয়া হয়। সাধারণ বৃত্তিতে মাসে ৩৭৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা দেওয়া হয় (সরকারি গেজেট অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে)।

২. আমি মেডিকেল বা বুয়েটে ভর্তি হলে কি এই বৃত্তি পাব? হ্যাঁ, আপনি সরকারি বা সরকার অনুমোদিত যেকোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হলেই এই বৃত্তি বহাল থাকবে। কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী (৪ বা ৫ বছর) আপনি টাকা পাবেন।

৩. বৃত্তির টাকার জন্য কি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে? আপনার যদি আগে থেকেই নিজের নামে কোনো অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট) থাকে, তবে সেটি ব্যবহার করা যাবে। না থাকলে নতুন করে খুলতে হবে। মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।

৪. আমি যদি গ্যাপ দিয়ে পরের বছর ভর্তি হই, তবে কি বৃত্তি পাব? না। গেজেট অনুযায়ী শিক্ষাজীবনে বিরতি থাকলে বা ‘ব্রেক অব স্টাডি’ হলে বৃত্তি বাতিল হয়ে যায়। আপনাকে এইচএসসি পাসের পরপরই নিয়মিত সেশনে ভর্তি হতে হবে।

৫. অন্য কোনো স্কলারশিপ পেলে কি এই বোর্ড বৃত্তি পাওয়া যাবে? সাধারণত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী একই সাথে দুটি সরকারি বৃত্তি ভোগ করতে পারেন না। তবে প্রাইভেট স্কলারশিপের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

আরও পড়ুন: